Actueel
  • Like
    1
    0 Reacties 0 aandelen 674 Views 0 voorbeeld
  • Like
    2
    1 Reacties 0 aandelen 682 Views 0 voorbeeld
  • Like
    1
    0 Reacties 0 aandelen 687 Views 0 voorbeeld
  • 0 Reacties 0 aandelen 677 Views 0 voorbeeld
  • শুভ রাত্রি
    ৷৷শুভ রাত্রি৷৷৷
    শুভ রাত্রি ৷৷শুভ রাত্রি৷৷৷
    0 Reacties 0 aandelen 681 Views 0 voorbeeld
  • Like
    Love
    2
    0 Reacties 0 aandelen 683 Views 0 voorbeeld
  • Good night
    Good night
    0 Reacties 0 aandelen 727 Views 0 voorbeeld
  • 🇧🇩🇧🇩আমার 🇧🇩🇧🇩
    🇧🇩🇧🇩সোনার🇧🇩🇧🇩
    🇧🇩🇧🇩 বাংলা 🇧🇩🇧🇩
    🇧🇩🇧🇩আমার 🇧🇩🇧🇩 🇧🇩🇧🇩সোনার🇧🇩🇧🇩 🇧🇩🇧🇩 বাংলা 🇧🇩🇧🇩
    Like
    1
    0 Reacties 0 aandelen 766 Views 0 voorbeeld
  • Like
    Love
    2
    1 Reacties 0 aandelen 762 Views 0 voorbeeld
  • 1 Reacties 0 aandelen 734 Views 0 voorbeeld


  • ব্যায়াম কত মিনিট করা উচিত—এটা বয়স, স্বাস্থ্যের অবস্থা, লক্ষ্য (ওজন কমানো, ফিট থাকা, শক্তি বাড়ানো) ইত্যাদির উপর নির্ভর করে। তবে সাধারণ নিয়ম হলো:

    🏃‍♂️ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) পরামর্শ

    বয়স্ক (১৮–৬৪ বছর):
    👉 সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট মাঝারি ব্যায়াম (যেমন হাঁটা, সাইক্লিং)
    বা
    👉 সপ্তাহে ৭৫ মিনিট জোরে ব্যায়াম (যেমন দৌড়ানো, সাঁতার, খেলা)।


    ➡️ মানে দিনে গড়ে ২০–৩০ মিনিট ব্যায়াম যথেষ্ট।

    শিশু-কিশোর (৫–১৭ বছর):
    👉 প্রতিদিন অন্তত ৬০ মিনিট শারীরিক কার্যকলাপ।


    ⚡ ব্যায়াম শুরু করার টিপস

    নতুন হলে শুরুতে ১০–১৫ মিনিট করলেই যথেষ্ট।

    ধীরে ধীরে ৩০ মিনিট বা তার বেশি করা ভালো।

    নিয়মিত করার অভ্যাস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

    ব্যায়াম কত মিনিট করা উচিত—এটা বয়স, স্বাস্থ্যের অবস্থা, লক্ষ্য (ওজন কমানো, ফিট থাকা, শক্তি বাড়ানো) ইত্যাদির উপর নির্ভর করে। তবে সাধারণ নিয়ম হলো: 🏃‍♂️ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) পরামর্শ বয়স্ক (১৮–৬৪ বছর): 👉 সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট মাঝারি ব্যায়াম (যেমন হাঁটা, সাইক্লিং) বা 👉 সপ্তাহে ৭৫ মিনিট জোরে ব্যায়াম (যেমন দৌড়ানো, সাঁতার, খেলা)। ➡️ মানে দিনে গড়ে ২০–৩০ মিনিট ব্যায়াম যথেষ্ট। শিশু-কিশোর (৫–১৭ বছর): 👉 প্রতিদিন অন্তত ৬০ মিনিট শারীরিক কার্যকলাপ। ⚡ ব্যায়াম শুরু করার টিপস নতুন হলে শুরুতে ১০–১৫ মিনিট করলেই যথেষ্ট। ধীরে ধীরে ৩০ মিনিট বা তার বেশি করা ভালো। নিয়মিত করার অভ্যাস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
    Like
    1
    0 Reacties 0 aandelen 706 Views 0 voorbeeld
  • সুস্বাস্থ্য মানে হলো – শরীর, মন ও সমাজিক জীবনে সম্পূর্ণ ভালো থাকা।
    শুধু রোগ না থাকা নয়, বরং—

    1. শারীরিক সুস্বাস্থ্য 👉 শরীর শক্তিশালী, রোগমুক্ত, সঠিকভাবে কাজ করার ক্ষমতা থাকা।


    2. মানসিক সুস্বাস্থ্য 👉 মন শান্ত থাকা, দুশ্চিন্তা ও চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারা।


    3. সামাজিক সুস্বাস্থ্য 👉 অন্যের সঙ্গে সুন্দরভাবে চলাফেরা করতে পারা, সম্পর্ক বজায় রাখা।



    👉 সহজভাবে বললে, যখন একজন মানুষ শারীরিক, মানসিক ও সামাজিকভাবে ভালো থাকে তখনই তাকে সুস্বাস্থ্য বলা হয়।

    সুস্বাস্থ্য মানে হলো – শরীর, মন ও সমাজিক জীবনে সম্পূর্ণ ভালো থাকা। শুধু রোগ না থাকা নয়, বরং— 1. শারীরিক সুস্বাস্থ্য 👉 শরীর শক্তিশালী, রোগমুক্ত, সঠিকভাবে কাজ করার ক্ষমতা থাকা। 2. মানসিক সুস্বাস্থ্য 👉 মন শান্ত থাকা, দুশ্চিন্তা ও চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারা। 3. সামাজিক সুস্বাস্থ্য 👉 অন্যের সঙ্গে সুন্দরভাবে চলাফেরা করতে পারা, সম্পর্ক বজায় রাখা। 👉 সহজভাবে বললে, যখন একজন মানুষ শারীরিক, মানসিক ও সামাজিকভাবে ভালো থাকে তখনই তাকে সুস্বাস্থ্য বলা হয়।
    0 Reacties 0 aandelen 786 Views 0 voorbeeld
Meer blogs
Mitaface https://mitaface.com