-
1 Posts
-
0 Photos
-
0 Videos
-
Teacher at High School
-
Lives in FARIDPUR
-
From FARIDPUR
-
Studied Political science at Krishna nagar high school
-
Male
-
18/06/1972
-
Followed by 10 people
Recent Updates
-
আমার ভালবাসার বন্যা
বন্যা—নাম শুনলেই কল্পনায় জলে ভেসে যায় সব,
তবু আজ সে তৃষ্ণার্ত, ঠোঁট ফেটে রক্তবর্ণ।
তার চোখে জলের ছায়া নেই,
রঙ ফিকে হয়ে গেছে পত্রিকার হেডলাইনের মতো।
কখনো সে গর্জে উঠত—
বাঁধ ভেঙে, নদীর বুক চিরে, শাসকের গলার ভেতর ঢুকে।
আজ সে চুপ,
কারণ বাঁধের বদলে গড়ে উঠেছে ইটের দেয়াল,
যেখানে তার নাম কেবল প্রচারমাধ্যমের হেডলাইনে বিক্রি হয়।
বন্যা ছিল সাফল্যের ঢেউ—
কারো কাছে অর্থনীতি, কারো কাছে জনপ্রিয়তা,
কারো কাছে জয়ের মুকুট।
কিন্তু সেই ঢেউয়ের জল উবে গেছে
গ্লোবাল কনফারেন্সের বক্তৃতা আর কাগুজে পরিকল্পনার তাপে।
রাষ্ট্র তাকিয়ে আছে হা করে—
ফাইল নাড়ছে, বাজেট বরাদ্দের শূন্য কলাম ভর্তি করছে।
বিশ্ব তাকিয়ে আছে মুগ্ধ হয়ে—
জলবায়ু সম্মেলনে তার নাম উচ্চারণ করে করতালি দিচ্ছে,
কেউ খেয়াল করছে না,
সে আস্তে আস্তে মরুভূমির দিকে হাঁটছে।
কোনো বিজ্ঞানী এসে বোতলে ভরে নিয়ে যাচ্ছে
তার শেষ ফোঁটা শক্তি,
গবেষণার রিপোর্ট বানাতে।
কোনো কবি এসে তার শুকনো ঠোঁটে তুলির আঁচড় দিচ্ছে,
কিন্তু জল ঢালছে না।
মানুষ?
মানুষ এখন সেলফি তুলতে ব্যস্ত—
পেছনে শুকনো নদীর ছবি, ক্যাপশন:
*“শেষ বন্যার স্মৃতি”*।
হাজার হাজার লাইক, একটিও কান্না নয়।
সে ভাবে—
যখন সে ছিল, সবাই ভয় পেত,
যখন নেই, সবাই তালি দেয়।
এ কেমন প্রেম? এ কেমন ইতিহাস?
আজ বন্যা শুয়ে আছে—
হাড়-গোড়ের ভেতরে শুকনো নদীর শব্দ,
চোখে শেষ বিন্দু জলের উজ্জ্বলতা।
পৃথিবী এখনো আলোচনা করছে—
কীভাবে তার হারানো জোয়ার ফিরিয়ে আনা যায়
বিনা জলে, বিনা সময়ে।
কিন্তু বন্যা জানে—
তাকে ফিরিয়ে আনতে হলে
প্রথমে ফিরিয়ে আনতে হবে সেই মানুষদের হৃদয়ের জল,
যা বহু আগেই শুকিয়ে গেছে।
15ই আগষ্ট 2025 ইং।আমার ভালবাসার বন্যা বন্যা—নাম শুনলেই কল্পনায় জলে ভেসে যায় সব, তবু আজ সে তৃষ্ণার্ত, ঠোঁট ফেটে রক্তবর্ণ। তার চোখে জলের ছায়া নেই, রঙ ফিকে হয়ে গেছে পত্রিকার হেডলাইনের মতো। কখনো সে গর্জে উঠত— বাঁধ ভেঙে, নদীর বুক চিরে, শাসকের গলার ভেতর ঢুকে। আজ সে চুপ, কারণ বাঁধের বদলে গড়ে উঠেছে ইটের দেয়াল, যেখানে তার নাম কেবল প্রচারমাধ্যমের হেডলাইনে বিক্রি হয়। বন্যা ছিল সাফল্যের ঢেউ— কারো কাছে অর্থনীতি, কারো কাছে জনপ্রিয়তা, কারো কাছে জয়ের মুকুট। কিন্তু সেই ঢেউয়ের জল উবে গেছে গ্লোবাল কনফারেন্সের বক্তৃতা আর কাগুজে পরিকল্পনার তাপে। রাষ্ট্র তাকিয়ে আছে হা করে— ফাইল নাড়ছে, বাজেট বরাদ্দের শূন্য কলাম ভর্তি করছে। বিশ্ব তাকিয়ে আছে মুগ্ধ হয়ে— জলবায়ু সম্মেলনে তার নাম উচ্চারণ করে করতালি দিচ্ছে, কেউ খেয়াল করছে না, সে আস্তে আস্তে মরুভূমির দিকে হাঁটছে। কোনো বিজ্ঞানী এসে বোতলে ভরে নিয়ে যাচ্ছে তার শেষ ফোঁটা শক্তি, গবেষণার রিপোর্ট বানাতে। কোনো কবি এসে তার শুকনো ঠোঁটে তুলির আঁচড় দিচ্ছে, কিন্তু জল ঢালছে না। মানুষ? মানুষ এখন সেলফি তুলতে ব্যস্ত— পেছনে শুকনো নদীর ছবি, ক্যাপশন: *“শেষ বন্যার স্মৃতি”*। হাজার হাজার লাইক, একটিও কান্না নয়। সে ভাবে— যখন সে ছিল, সবাই ভয় পেত, যখন নেই, সবাই তালি দেয়। এ কেমন প্রেম? এ কেমন ইতিহাস? আজ বন্যা শুয়ে আছে— হাড়-গোড়ের ভেতরে শুকনো নদীর শব্দ, চোখে শেষ বিন্দু জলের উজ্জ্বলতা। পৃথিবী এখনো আলোচনা করছে— কীভাবে তার হারানো জোয়ার ফিরিয়ে আনা যায় বিনা জলে, বিনা সময়ে। কিন্তু বন্যা জানে— তাকে ফিরিয়ে আনতে হলে প্রথমে ফিরিয়ে আনতে হবে সেই মানুষদের হৃদয়ের জল, যা বহু আগেই শুকিয়ে গেছে। 15ই আগষ্ট 2025 ইং।0 Comments 0 Shares 709 Views 0 Reviews1
Please log in to like, share and comment!
More Stories